ডেঙ্গু জ্বর

CULINARY INDUSTRY IN BANGLADESH: NOW AND THEN
June 30, 2019
Extraordinary within the Ordinary
August 16, 2019

ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গু জ্বর বর্তমানে এক মহামারী রোগের নাম যা প্রধাণত চার ধরণের ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয় (ডেঙ্গু ভাইরাস ১ থেকে ৪)। প্রধাণত এডিস ইজিপ্টি এবং কদাচিৎ এডিস এলবোপিকটাস নামক স্ত্রী মশার দ্বারা এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।এইডস একটি গতিশীল, সমগ্র দেহসংক্রান্ত রোগ যার তীব্র এবং সহনীয় দু ধরণেরই বিস্তর্নী প্রভাব রয়েছে। যদিও এই রোগ রোগীর নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে সহনশীল পর্যায়ে,কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই রোগ জীবনহানির আশংকা সৃষ্টি করতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ


১। হঠাৎ, উচ্চ জ্বর
২। মারাত্মক মাথাব্যথা
৩। চোখের পিছনে ব্যথা
৪। গুরুতর জয়েন্ট এবং পেশী ব্যথা
৫। অবসাদ
৬। বমি বমি ভাব
৭। বমি
৮। ত্বকের ফুসকুড়ি, এটি জ্বরের শুরু হওয়ার দুই থেকে পাঁচ দিন পরে উপস্থিত হয় হালকা রক্তপাত (এ জাতীয় নাক থেকে রক্ত ঝরানো, মাড়ির রক্তপাত বা সহজ ক্ষত)

ডেঙ্গু জ্বর আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে এবং এর জন্যে আমাদের বিভিন্ন সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


১।ঘরে বাইরে মশা বিতাড়ক স্প্রে এবং প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে। যেমন: এরোসল, ওডোমোস।
২। মশারী ব্যবহার করতে হবে।
৩। ভোরে এবং বিকালে বাসার সকল দরজা জানালা বন্ধ রাখতে হবে।
৪। বাড়ীর উঠান,ছাদ এবং আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি না জমে।

 

যদি এরপরেও কেউ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তবে তার চিকিৎসার জন্যে করণীয়


১। রোগীকে বেশি করে পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।
২। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং উপযুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করতে হবে।
৩। পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিতে হবে।
৪। রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা এবং রক্তচাপের দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫। যেকোনো জরুরী অবস্থায় রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

সাধারণত প্রাথমিক অবস্থায় জ্বর ৫ দিনের কম হলে Dengue NS1 Antigen টেস্ট করা হয়ে যার মাধ্যমে ডেঙ্গু ভাইরাস সরাসরি নির্ণয় করা হয় কম সময়ে এবং কম খরচে।

তবে জ্বর যদি ৫ দিনের বেশি হয় তবে LgM,Elisa এবং LgG টেস্টগুলো করানো যেতে পারে।কারণ তখন সাধারণ NG1 টেস্টে ডেঙ্গু অনেক সময় নির্ণয় করা সম্ভব হয়না।

এছাড়া সিবিসি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে বিদ্যমান প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার সংখ্যা সম্পর্কে অবগত হতে হবে।

ডেঙ্গুজ্বরের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হচ্ছে, Dengue Shock Syndrome এবং Dengue Hemorrhagic Fever। প্লাটিলেট অত্যাধিক পরিমাণে হ্রাস পেলে কিংবা রক্তচাপের অস্বাভাবিক পরিবর্তন আক্রান্ত ব্যক্তিকে অনাকাঙ্খিত ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

Tashin Talukder
Department of Accounting & Information Systems

Manzura Mizan Murshed
Department of Finance

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *